Sponsor



Slider

দেশ - বিদেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » জুলফিকার আলী ভুট্টো হত্যা মামলার শুনানি পুনরায় শুরু




পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের মতামত চেয়ে দেয়া প্রেসিডেনশিয়াল রেফারেন্সের ওপর শুনানি পুনরায় শুরু হয়েছে। ১৯৭৯ সালের ৪ এপ্রিল রাওয়ালপিন্ডির জেলা কারাগারে ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেন তৎকালীন সামরিক শাসক মোহাম্মদ জিয়া-উল-হক। ছবি: সংগৃহীত মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি কাজী ফায়েজ ইসার নেতৃত্বে গঠিত ৯ সদস্যের আপিল বেঞ্চে এই শুনানি হয়। পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, সংবিধানের ১৮৬ অনুচ্ছেদের অধীনে ২০১১ সালের এপ্রিলে সুপ্রিম কোর্টে ওই রেফারেন্স পাঠিয়েছিলেন দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। এর ওপর সর্বশেষ শুনানি হয়েছিল ২০১২ সালের জানুয়ারিতে। মঙ্গলবার ১১ বছরের বেশি সময় পর শুনানি আবার শুরু হওয়ায় দুঃখপ্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। কাজী ফায়েজ ইসা বলেন, এটি দীর্ঘ দিন ঝুলে থাকা প্রেসিডেনশিয়াল রেফারেন্স। আরও পড়ুন: পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ২৩ ১৯৭৯ সালের ৪ এপ্রিল রাওয়ালপিন্ডির জেলা কারাগারে ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেন তৎকালীন সামরিক শাসক মোহাম্মদ জিয়া-উল-হক। এর আগে ১৯৭৭ সালের ৫ জুলাই ভুট্টোকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। ওই বিচারকে প্রহসনের বিচার হিসেবে দেখে ভুট্টো পরিবার। চলতি বছরের ৪ এপ্রিল ভুট্টোর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার নাতি ও বর্তমানে পিপিপির চেয়াম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, এটা ছিল বিচার-বিভাগীয় হত্যাকাণ্ড, যা দেশের বিচার ব্যবস্থা কলঙ্কিত করেছিল। এখন ভুট্টো পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম সুপ্রিম কোর্টে ভুট্টো হত্যার সুবিচারের অপেক্ষায় আছে। আরও পড়ুন: কার্গিল যুদ্ধের বিরোধিতা করায় ক্ষমতা হারাতে হয়েছিল: নওয়াজ শরিফ ১৯৭৮ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোকে মৃত্যুদণ্ড দেন লাহোর হাইকোর্টের চার সদস্যের একটি বেঞ্চ। পরে ওই রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা হয়েছিল। সর্বোচ্চ আদালতও রায় বহাল রাখলে ১৯৭৯ সালে ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। সে সময় পাকিস্তানে জেনারেল জিয়াউল হকের অধীনে সামরিক শাসন চলছিল। ১৯৭৭ সালে ভুট্টো সরকারকে হটিয়ে দেশটির ক্ষমতা দখল করেছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউল হক। অনেকেই মনে করেন, ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ডের সাজার পেছনে জিয়াউল হকের হাত ছিল।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply