পুরুষের সমস্যা ১১টি ফিচার এর টিপস জেনে নিন
1 স্বপ্নদোষ
2 পুরুষের যৌন দূর্বলতা
3 পুরুষের বয়স ধরে রাখতে হরমোন
4 পুরুষের শক্তি বৃদ্ধিতে স্টেরয়েড ক্ষতিকর
5 নিকোটিনে শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস
6 পুরুষের স্বাস্থ্য: ১০টি স্বাস্থ্যঝুঁকি
7 পুরুষদের কয়েকটি স্বাস্থ্যসমস্যা
8 পেরোনি’জ ডিজিজ, পুরুষের বিশেষ সমস্যা
9 ইনগুইনাল হার্নিয়া পুরুষদের বেশি হয়
10 যে সমস্যা গুরুত্বের সাথে নিতে হবে
11 নিকোটিনে শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস
স্বপ্নদোষ
স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়।
১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।
বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন হরনি গোট উইড - দাম্পত্য সুখের জন্যস্বপ্নদোষের মাত্রা
স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.২৩ বার থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৫ বার হয়।
কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।’
একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।
বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।
স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।
যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।
মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে।
স্পারম্যাটোরিয়া
১৮ ও ১৯ শতকে, যদি একজন রোগীর ঘনঘন অনৈচ্ছিক বীর্যপাত হতো কিংবা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণ বীর্য বের হতো তখন তার রোগ নির্ণয় করা হতো স্পারম্যাটোরিয়া বা ‘ধাতুদৌর্বল্য’ বলে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ এবং অন্যান্য চিকিৎসা যেমনন্ধ খৎনা করার পরামর্শ দেয়া হতো। বর্তমানে কিছু হার্বাল ওষুধ দিয়ে অনেকেই এর চিকিৎসা করলেও তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
প্রচলিত ধারণা
অনেক রোগী স্বপ্নদোষ হওয়াকে মারাত্মক রোগ বলে মনে করেন। তাদের ধারণা, যৌবনে এটা একটা প্রধান যৌন সম্পর্কিত রোগ। কেউ কেউ নানা ধরনের চিকিৎসা করানন্ধ এমনকি স্বপ্নদোষ ও হস্তমৈথুনের জন্য প্রচলিত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করান। এদের অজ্ঞতার সুযোগ নেন অনেকে। স্বপ্নদোষকে ভয়াবহ রোগ হিসেবে অভিহিত করে রোগীর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।
পুরুষের শক্তি বৃদ্ধিতে স্টেরয়েড ক্ষতিকর
বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন হরনি গোট উইড - দাম্পত্য সুখের জন্যপুরুষ এবং অনেক ক্ষেত্রে মহিলারা পর্যন- শরীরের শক্তি বাড়াতে অজ্ঞতাবশত: মারাত্মক ক্ষতিকর স্টেরয়েড ব্যবহার করেন। স্টেরয়েড ব্যবহার করলে সাময়িকভাবে শক্তি বাড়লেও শরীরের মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পেশীর কোমনীয়তা হ্রাস পায় এবং পেশীর স্বাভাবিকতা নষ্ট হয়। ইদানিং অনেক ক্ষেত্রে তরুণরাও নিজেদের শক্তি বাড়াতে স্টেরয়েড ব্যবহার করছে। তরুণীরাও শরীরের গঠন বৃদ্ধিতে স্টেরয়েড ব্যবহার করছে। কেবল মাত্র কিছু কিছু রোগ ব্যাধির তীব্রতা কমাতে স্টেরয়েড ব্যবহৃত হয়। অথচ বাংলাদেশে ওষুধের দোকানে অবাধে স্টেরয়েড বিক্রয় হওয়ার কারণে স্টেরয়েডের অপব্যবহার মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, অনেক তরুণ, যুবক ও বিবাহিত পুরুষরা শারীরিক ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অজ্ঞতাবশত: স্টেরয়েড ব্যবহার করে থাকেন। অথচ স্টেরয়েড কোন ভাবেই পুরুষের শারীরিক ক্ষমতা বাড়ায় না। ভ্রান্ত ধারণা থেকে কোন ভাবেই স্টেরয়েডও সেবন অথবা ব্যবহার বাঞ্চনীয় নয়। বরং মাত্রাতিরিক্ত স্টেরয়েড সেবনের ফলে অনেক পুরুষের শারীরিক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় এবং শরীরে নানা জটিলতা দেখা দেয়। ফলে দাম্পত্য জীবনে আসে অশনি সংকেত। শেষ পর্যায়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়েও কোন লাভ হয় না। তাই কোন ভাবেই শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে স্টেরয়েড ব্যবহার করা উচিত নয়
নিকোটিনে শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস
ইমেইল প্রিন্ট পিডিএফ
বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন হরনি গোট উইড - দাম্পত্য সুখের জন্যধূমপানের নানা অপকারিতা সম্পর্কে জানেন মোটামুটি সকল ধূমপায়ী। তারপরও ধূমপান ত্যাগ করতে দেখা যায় অনেক কমসংখ্যক ধূমপায়ীকে। ধূমপান থেকে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট এ্যাটাকের মত বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটতে পারে। কমে যায় গড় আয়ু, কর্ম ক্ষমতা তার পরও ধূমপায়ীদের তেমন কোন উদ্বেগ নেই। অনেকের ধারনা বহু বছর ধরে ধূমপান করছি, দাদা ধূমপায়ী ছিলেন, বাবা ধূমপায়ী ছিলেন কোন সমস্যা তো দেখিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য বিপদ যাদের আসে তারাই বোঝেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে ধূমপানের বড় বড় ক্ষতি বেশী চোখে পড়ে। কিন্তু অনেক ক্ষতি আছে যা চোখে পড়ে না। অথচ ধূমপানের ফলে শতকরা ৫ থেকে ১০ ভাগ ধূমপায়ীর শারীরিক ক্ষমতা বা যৌন ক্ষমতা হ্রাস পায়। আর এই শারীরিক ক্ষমতা হ্রাসের প্রধান শত্রু হচ্ছে সিগারেট, বিড়ি, তামাক, জর্দ্দার মধ্যে থাকা বিষ নামের মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিকোটিন। নিকোটিন শুধু রক্তনালী সরু করে দেয় এবং হার্টের রক্তনালীতে চর্বি জমতে সাহায্য করে তাই নয়, এই নিকোটিন রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহকে কমিয়ে দেয়। ফলে অঙ্গ-প্রতঙ্গের রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। এতে শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস পায়, পাশাপাশি নিকোটিন ফুসফুস ও হার্টের স্বাভাবিক ক্ষমতাকেও হ্রাস করে। ফলে শারীরিক দুর্বলতা প্রতীয়মান হয় নানা ক্ষেত্রে। সিগারেটের নিকোটিন সাময়িক ভাবে মস্তিষ্ক উজ্জীবীত করলেও মস্তিষ্ক নিকোটিনের দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতি নানাবিধ। নিকোটিন মস্তিষ্কের রক্তনালীকে সরু করে দেয় ফলে মস্তিষ্কে রক্তচলাচলেও ব্যহত হয়। মস্তিষ্ক হয়ে পড়ে দুর্বল। ফলে বিশেষ ক্ষেত্রে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অধিক রক্ত প্রবাহের প্রয়োজন হলে মস্তিষ্ক হার্টকে প্রয়োজনীয় সিগনাল বিলম্ব ঘটায়। ফলে কাংখিত শারীরিক শক্তি অনেক ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না। তাই কর্মক্ষম, সক্ষম থাকতে আজই ধূমপান ত্যাগ করুন, সুন্দর দাম্পত্য জীবন গড়ে তুলুন।
পুরুষের বয়স ধরে রাখতে হরমোন
পুরুষরা যৌবন ধরে রাখার জন্য সেক্স হরমোন টেসটেসটেরন ও গ্রোথ হরমোন এইচ জি এইচ ব্যবহার করছেন। খোদ যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৯৯ সালে পুরুষ হরমোন হিসেবে বিবেচিত টেসটেসটেরনের ব্যবস্থাপত্র দেয়া হয় মাত্র ৬৪ হাজার ৮ শতটি। অথচ ২০০৮ সালে টেসটেসটেরনের প্রেসক্রিপশান ছিল ৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন বা ৩৩ লক্ষ। মধ্য বয়সী পুরুষরা বয়স ধরে রাখতে হরমোন ব্যবহার করছেন বলে এই তথ্যটি দিয়েছে অতি সম্প্রতি দ্য লস এঞ্জেলস টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, এটা স্পষ্ট নয় যে ঠিক কি কারণে টেসটেসটেরন হরমোন ব্যবহার এত বেশী বাড়ছে। তবে পুরুষের শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস, (decreased sex drive), শরীর দুর্বল হয়ে পড়া এবং পেশীর গঠন শিথিল হওয়ার মত অবস্থা উত্তরণে হরমোনের ব্যবহার বাড়ছে। এমন তথ্য দিচ্ছেন গবেষকগণ। দ্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এ্যাজিং-এর গবেষকগণ বয়স ধরে রাখার জন্য অপরিকল্পিত ভাবে হরমোনের ব্যবহার বিশেষ করে টেসটেসটেরনের ব্যবহার সম্পর্কে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন।
5
রুষের স্বাস্থ্য: ১০টি স্বাস্থ্যঝুঁকি
বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন হরনি গোট উইড - দাম্পত্য সুখের জন্যপুরুষের স্বাস্থ্যের যে বড় ঝুঁকি রয়েছে, এগুলোর সবই প্রতিরোধ করা যায়। দীর্ঘ, সুস্থ জীবনের জন্য জানা চাই:
মাত্র ১০টি স্বাস্থ্যঝুঁকি সামলালেই হলো। বিখ্যাত সংস্থা সিডিসি এবং আরও কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান থেকে জানা গেল।
১. হূদরোগ
পুরুষের স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রধান ঝুঁকি তো বটেই। আর স্বাস্থ্যকর জীবন পছন্দ মানলে হূদস্বাস্থ্য ভালো থাকবে অবশ্যই।
ধূমপান করা যাবে না। তামাক, জর্দা, গুল চিবানো চলবে না। কেউ ধূমপান যদি করে, তার পাশে থাকা যাবে না। বারণ করতে ব্যর্থ হলে দূরে সরে যেতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। প্রচুর শাকসবজি, টাটকা ফল, গোটা শস্যদানা, আঁশ ও মাছ। যেসব খাবারে চর্বি বেশি, নুন বেশি সেসব খাবার বর্জন করা ভালো। রক্তে যদি থাকে উঁচুমান কোলেস্টেরল, থাকে যদি উচ্চরক্তচাপ তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো চিকিৎসা নিতে হবে। প্রতিদিন জীবনযাপনের অংশ হবে শরীরচর্চা। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে হবে।
মদ্যপান করে থাকলে বর্জন করতে হবে। ডায়াবেটিস যদি থাকে, তাহলে রক্তের সুগার মান বজায় রাখতে হবে।
মানসিক চাপকে মোকাবিলা করতে হবে।
২. ক্যানসার
পুরুষের মধ্যে ক্যানসারের কারণে যাদের মৃত্যু হয়, শীর্ষে রয়েছে ফুসফুসের ক্যানসার। আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির অভিমত: এর কারণ হলো ধূমপান। এরপর রয়েছে প্রোস্টেট ক্যানসার ও কোলেস্টেরল ক্যানসার।
ক্যানসার প্রতিরোধ করতে হলে—
ধূমপান করা যাবে না। তামাকপাতা, জর্দা, গুল চিবানো যাবে না।
পাশে কেউ ধূমপান করলে দূরে সরে যেতে হবে। দৈনন্দিন জীবনে শরীরচর্চা থাকতেই হবে।
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে হবে। ফল ও শাকসবজিসমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর আহার। এড়িয়ে যেতে হবে চর্বিবহুল খাবার। কড়া রোদে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়। ছাতা ও মাথাল ব্যবহার, সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। মদ্যপান বর্জন করতে হবে। নিয়মিত ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ও সাহায্য নিতে হবে।
ক্যানসার জনক বস্তু অর্থাৎ কার্সিনোজেন যেমন, রেড়ন, এসবেসটস বিকিরণ ও বায়ুদূষণের মুখোমুখি যাতে না হতে হয়, সে রকম ব্যবস্থা করা।
৩. আঘাত
সেন্টার ফর ডিজিজ কনট্রোল সিডিসির মত অনুযায়ী পুরুষের মধ্যে মারাত্মক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হলো, মোটরগাড়ি দুর্ঘটনা। ভয়ানক দুর্ঘটনা এড়াতে হলে—
গাড়িতে সিটবেল্ট পরতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় গতিসীমা মেনে চলা উচিত। মদ বা অন্য কোনো নেশা করে গাড়ি চালানো উচিত নয়। ঘুম ঘুম চোখে গাড়ি চালানো ঠিক নয়।
মারাত্মক দুর্ঘটনার অন্যান্য বড় কারণ হলো, পতন, পিছলে পড়ে যাওয়া, বিষক্রিয়া। বায়ু চলাচল হয় এমন স্থানে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা উচিত, স্নানঘরে পিছলে যায় না এমন ম্যাট ব্যবহার করা উচিত।
৪. স্ট্রোক
স্ট্রোকের কিছু ঝুঁক আছে, যা পরিবর্তন করা যায় না যেমন, পারিবারিক ইতিহাস, বয়স ও গোত্র। তবে আরও কিছু ঝুঁকি আছে যেগুলো বেশ বদলানো যায়।
ধূমপান করা ঠিক নয়। রক্তচাপ বেশি হলে বা রক্তে কোলেস্টেরল মান বেশি থাকলে চিকিৎসকের চিকিৎসা ও পরামর্শ মেনে চলা উচিত। খাবারে যদদূর সম্ভব স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কম থাকা ভালো। ট্রান্সফ্যাট একেবারে বাদ দিলেই মঙ্গল। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা উচিত। প্রতিদিনের দিন যাপনে ব্যায়াম অবশ্যই থাকা উচিত। ডায়াবেটিস যদি থাকে, তাহলে রক্তের সুগার যেন থাকে নিয়ন্ত্রণে। মদ্যপান করে থাকলে বর্জন করা উচিত।
৫. সিওপিডি
শ্বাসযন্ত্রের ক্রনিক রোগ যেমন ব্রংকাইটস এবং এমফাইসেমা-এদের বলে সিওপিডি। পুরো মনে করলে দাঁড়ায় কুনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ। এ রোগ ঠেকাতে হলে—
ধূমপান কখনই নয়। কেউ ধূমপান করলে পাশে, সে ধোঁয়াও গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা উচিত। রাসায়নিক বস্তু এবং বায়ু দূষণের মুখোমুখি যত কম হওয়া যায়, ততই মঙ্গল।
৬. টাইপ ২ ডায়াবেটিস
সবচেয়ে সচরাচর ডায়াবেটিস টাইপ ২ ডায়াবেটিস রক্তে বেড়ে যায় সুগার।
একে নিয়ন্ত্রণ না করলে হয় নানা রকমের জটিলতা, হূদরোগ, অন্ধত্ব, স্নায়ু রোগ, কিডনির রোগ।
একে প্রতিরোধ করতে হলে—
শরীরে বেশি ওজন থাকলে বাড়তি ওজন ঝরাতে হবে।
ফল, শাকসবজি ও কম চর্বি খাবারে সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। দৈনন্দিন জীবনযাপনে থাকবে অবশ্যই ব্যায়াম।
৭. ফ্লু
ইনফ্লুয়েঞ্জা হলো সচরাচর একটি ভাইরাস সংক্রমণ। সুস্থ শরীরের মানুষের জন্য ফ্লু এত গুরুতর নয় বটে, তবে ফ্লুর জটিলতা মারাত্মক হতে পারে, বিশেষ করে যাদের দেহ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল বা যাদের ক্রনিক রোগ রয়েছে।
ফ্লু থেকে রক্ষা পেতে হলে বছরে একবার ফ্লুর টিকা নিতে হবে।
৮. আত্মহত্যার মতো দুর্ঘটনা
পুরুষের স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে বড় একটি হলো আত্মহত্যা। অনেক দেশে, সমাজে পুরুষের মধ্যে আত্মহত্যার কারণ হলো বিষণ্ন্নতা। মন বিষণ্ন মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। চিকিৎসা তো রয়েছেই। নিজের সর্বনাশ করা কেন? যতই প্রতিকূল অবস্থাই হোক, যত বিপদই হোক, একে অতিক্রম করাই তো মানুষের কাজ।
৯. কিডনির রোগ
ডায়াবেটিস বা উচ্চরক্তচাপের প্রথম জটিলতা হলো কিডনি বিকল হওয়া। ডায়াবেটিস বা উচ্চরক্তচাপ থাকলে চিকিৎসকের চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে হবে।
স্বাস্থ্যকর আহার। নুন কম খেতে হবে।
প্রতিদিন ব্যায়াম
ওজন বেশি থাকলে ওজন ঝরানো।
ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ।
১০. আলঝাইমারস রোগ
এই রোগ প্রতিরোধ করার কোনো প্রমাণিত উপায় নেই। তবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া যায়—
হূদযন্ত্রের যত্ন নেওয়া ভালো। উচ্চরক্তচাপ থাকলে হূদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস উঁচুমান কোলেস্টেরল থাকলে আলঝাইমার রোগের ঝুঁকি বাড়ে। মাথায় যাতে আঘাত না লাগে, দেখা উচিত। মাথায় আঘাত লাগার সঙ্গে ভবিষ্যতে আলঝাইমার রোগ হওয়ার একটি সম্পর্ক আছে, বলেন অনেকে। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা উচিত।
প্রতিদিন ব্যায়াম। ধূমপান বর্জন। মদ্যপান বর্জন।
সামাজিক মেলামেশা চালিয়ে যান।
মানসিক ফিটনেস বজায় রাখতে হবে। মগজ খেলানোর জন্য চর্চা, ব্যায়াম। নতুন জিনিস শেখার চেষ্টা করা।
শেষ কথা
স্বাস্থ্যের ঝুঁকিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।
ঝুঁকিগুলোকে মনে হবে ভয়ের কিছু, তবে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, বরং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য যা কিছু দরকার করা উচিত।
স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ, দৈহিকভাবে সক্রিয় থাকা, ধূমপান করে থাকলে ছেড়ে দেওয়া, নিয়মিত চেকআপ এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম ও চলাফেরায় সতর্ক থাকা, সবই করা ভালো। প্রতিরোধমূলক এসব কাজকর্ম চালিয়ে গেলে দীর্ঘ, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।
পুরুষদের কয়েকটি স্বাস্থ্যসমস্যা
সহস্রাব্দ লক্ষ্যের প্রধান অংশজুড়ে রয়েছে মায়েদের স্বাস্থ্য এবং শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন। এত সব প্রচেষ্টা এবং প্রচার-প্রচারণার ভিড়ে বাবা বা পুরুষদের স্বাস্থ্য সমস্যার বিষয়টি আমরা অবহেলা করছি কি না তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। কারণ, মহিলা ও শিশুদের বিষয়ে সবাই যতটা সহানুভূতি এবং আগ্রহসহকারে স্বাস্থ্যসমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করেন, বাড়ির কর্তাটির কথা সেখানে আজকাল অনেক সময় কারও মনে থাকে না।
পুরুষদের স্বাস্থ্যসমস্যা কী? সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র পুরুষদের স্বাস্থ্যসমস্যার একটি তালিকা করেছে। সেই তালিকাটি কিন্তু অবাক করার মতো ছোট। সেখানে পুরুষদের শত্রু হিসেবে প্রধান সাতটি রোগ-ব্যাধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সাতটি রোগ-ব্যাধির প্রতি নজর দিলে এবং প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে পুরুষ প্রজাতির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যাবে বলে আশা করা যায়।
বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন হরনি গোট উইড - দাম্পত্য সুখের জন্যহূদরোগ
পুরুষদের প্রধান শত্রু হূদরোগ। অতএব সব পুরুষকে হূদরোগ প্রতিরোধ করার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে। এ জন্য—
ধূমপান পরিহার করতে হবে। হূৎপিণ্ডের অন্যতম প্রধান শত্রু ধূমপান। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ধূমপান পরিত্যাগ করতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ। শাকসবজি, ফলমূল, আকাড়া শস্যদানা, অতিরিক্ত আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। পরিহার করতে হবে সম্পৃক্ত চর্বি এবং লবণযুক্ত খাবার।
ক্রনিক রোগ পরিহার করতে হবে। যেমন উচ্চরক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হলে অবশ্যই তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা।
প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। যেকোনো ধরনের শরীরচর্চা কিংবা খেলাধুলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
শরীরের ওজন সীমিত রাখতে হবে। অতিরিক্ত ওজন মানেই হূৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত বোঝা।
মদ্যপান পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত অ্যালকোহল রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং তা হূৎপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর।
মানসিক চাপ ও উদ্বেগমুক্ত হতে হবে।
ক্যানসার
হূদরোগের পরে পুরুষের দ্বিতীয় প্রধান শত্রু ক্যানসার। ফুসফুস, ত্বক, প্রোস্টেট, অন্ত্র ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসারে বহু পুরুষের অকালমৃত্যু হয়। ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর জন্য নিচের পদক্ষেপগুলো বেশ কার্যকরী।
ধূমপান পরিহার। ধূমপান পরিহার করলে যেমন হূদরোগের আশঙ্কা কমে, তেমনি ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারলে নানা ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে।
ব্যায়াম করতে হবে। নিয়মিত শরীরচর্চা ওজন কমাতে সাহায্য করে, একইভাবে ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়।
প্রচুর শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে হবে। শাকসবজি এবং ফলমূল ক্যানসার প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী।
অতিরিক্ত সৌর আলোক ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। সূর্যের আলোতে অতিরিক্ত ঘোরাঘুরি করলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ক্রিম কিংবা ছাতা ব্যবহার করা উচিত।
মদ্যপান পরিত্যাগ করতে হবে। অতিরিক্ত মদ্যপান করলে অন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি, যকৃৎ ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
কিছুু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ক্যানসার সুপ্তাবস্থায় বা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়। এ জন্য প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।
দুর্ঘটনাজনিত স্বাস্থ্যসমস্যা
মোটর-যানবাহন দুর্ঘটনা পুরুষদের মৃত্যুর একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। অতএব পথেঘাটে চলাফেরার সময় সতর্ক থাকতে হবে। যানবাহন ব্যবহারের সময় মাথায় হেলমেট পরা এবং সিটবেল্ট বাঁধা গুরুত্বপূর্ণ। মদ্যপান কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় যানবাহন চালানো একদম উচিত নয়।
ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি অবরোধাত্মক ব্যাধি
ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগে অনেক পুরুষের স্বাস্থ্য হানি হয়ে থাকে। বিশেষ করে ক্রনিক ব্রংকাইটিস ও পালমোনারি এসফিসিমায় অনেক পুরুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে থাকে। এ জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত—
ধূমপান পরিহার করতে হবে। ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগের প্রধান কারণ ধূমপান। ধূমপান পরিহার করলে এর থেকে মুক্ত থাকা সহজ হবে।
বায়ুদূষণ পরিহার করতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে ধুলাবালি-ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশ।
শ্বাসনালির সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে। ঘন ঘন শ্বাসনালির সংক্রমণ দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়। অতএব শ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকার জন্য সতর্ক থাকতে হবে।
মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত বা স্ট্রোক
মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত ঝুঁকির অনেক উপাদান আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যেমন বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, জাতি ইত্যাদি। কিন্তু কতগুলো উপাদান নিয়ন্ত্রণযোগ্য। যেমন—
ক্রনিক রোগসমূহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ইত্যাদি পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
ধূমপান পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত ধূমপান পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। মদ্যপান পরিহার করে আমরা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারি।
ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস, বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস থাকলে শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে হূদরোগ, চোখের রেটিনার সমস্যা, স্নায়ুরোগ এবং আরও অনেক জটিলতা দেখা দেয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অধিকাংশ পুরুষ তাঁদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারেন। এ জন্য—
নিয়মিত জীবনাচরণ মেনে চলতে হবে।
গ্রহণ করতে হবে স্বাস্থ্যকর খাদ্য।
ব্যায়াম করতে হবে নিয়মিত।
কমাতে হবে অতিরিক্ত ওজন ।
আত্মহত্যা প্রবণতা
পুরুষের স্বাস্থ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা আত্মহত্যা-প্রবণতা। সাধারণত বিষণ্নতা থেকে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা জাগে। কারও বিষণ্নতার লক্ষণ-উপসর্গ দেখা গেলে অবশ্যই তার চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে বিষণ্নতা দূর করার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সবশেষে বলতে হয়, পুরুষদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার মূল সূত্রটি একই—স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো। এর সুফল আমরা যা কল্পনা করি, তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি।
পেরোনি’জ ডিজিজ, পুরুষের বিশেষ সমস্যা
এটা হলো একটা কানেকটিভ টিসু ডিসঅর্ডার। এক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গের নরম টিস্যুতে ফাইব্রাস প্ল্যাকের বৃদ্ধি ঘটে। প্রতি ১০০ জন পুরুষের মধ্যে এক থেকে চারজনের এ সমস্যা হয়।
বিশেষ করে লিঙ্গের টিউনিকা অ্যালবুজিনা অংশে ফাইব্রোসিং প্রক্রিয়া ঘটে। টিউনিকা অ্যালবুজিনা অংশে ফাইব্রোসিং প্রক্রিয়া ঘটে। টিউনিকা অ্যালবুজিনো হলো একটি ফাইব্রাস, যা লিঙ্গের কর্পোরা কেভারনোসাকে ঢেকে রাখে। লিঙ্গের এ ধরনের সমস্যাকে চিকিৎসা পরিভাষায় পেরোনি’জ ডিজিজ বলা হয়।
বক্রতা ভিন্নতা:
অল্পমাত্রায় লিঙ্গ বাঁকা থাকাটা স্বাভাবিক। অনেক পুরুষ এ অবস্থা নিয়ে জন্মগ্রহন করে। এটাকে বলে জন্মগত লিঙ্গের বক্রতা। এক্ষেত্রে লিঙ্গ সামনের দিকের চেয়ে এক পাশে বাঁকা হয়ে থাকে। তবে তুলনামূলক লিঙ্গের শরীরটা সোজা থাকে। এ ধরনের বক্রতা পেরোনি’জ ডিজিজের কারনে হয় না।
উপসর্গ:
লিঙ্গ শক্ত হলে ব্যথা হতে পারে, দড়ির মতো কিছু অনুভূত হতে পারে অথবা লিঙ্গ
অস্বাভাবিক বেঁকে যেতে পারে। লিঙ্গ চিকন অথবা ছোট হয়ে যেতে পারে। রোগের প্রাথমিক স্তরে ব্যাথা হতে পারে, যা সচরাচর ১২ থেকে ১৮ মাসে চলে যায়। শেষের দিকে লিঙ্গের উত্থান ব্যাহত হয়।
রোগ নির্নয় ও চিকিৎসা:
একজন দক্ষ সার্জন বা ইউরোলজিস্ট এ রোগ নির্নয় করতে পারেন এবং চিকিৎসার ব্যাপারে পরামর্শ দিতে পারেন। অনেক পুরুষ তাদের লিঙ্গ বাঁকা দেখলেই চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন ওষুধ সেবন করেন এবং লিঙ্গে বিভিন্ন মলম বা তেল মালিশ করেন। এটা কখনোই করা উচিত নয়। এতে লিঙ্গের আরে ক্ষতি হয়ে থাকে। সাধারনভাবে অনেকে ভিটামিন-ই এবং পটাশিয়াম অ্যামাইনোবেমিনজয়েট সেবন করেন, কিন্তু এগুলো কার্যকর নয়। বর্তমানে অনেক নতুন কিছু ওষুধ যেমন অ্যাসিটাইল এল- কারনিটিন, প্রোপিওনিল এল-কারনিটিন, সিলডেনাফিল এবং পেনটোক্সিফালিন প্রেসক্রাইবড করে থাকেন কিন্তু এগুলো কার্যকর নয়।
লিঙ্গ বাঁকা হওয়া বা পেরোনি’জ ডিজিজ শারীরিক ও মানসিকভাবে একটি বিধ্বংসীকারক রোগ হতে পারে। যদিও বেশিরভাগ পুরুষ এ সমস্যা নিয়ে যৌন কাজ চালিয়ে যেতে পারেন। তবু কারো কারো পুরুষত্বহীনতা ঘটতে পারে। তাই লিঙ্গ বাঁকা হলে হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে না দৌড়ে একজন অভিজ্ঞ সার্জন বা ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নিন।
ইনগুইনাল হার্নিয়া পুরুষদের বেশি হয়
ইনগুইনাল হার্নিয়া যেকোনো বয়সের পুরুষ বা মহিলার হতে পারে, তবে শারীরিক গঠন ও ভিন্নতার কারণে পুরুষদের মধ্যেই এটি বেশি হয়। পুরুষ ভ্রূণের অন্ডকোষ দু’টো পেটের মধ্যেই তৈরি হয়, তারপর ইনগুইনাল ক্যানেলে দিয়ে অন্ডথলিতে নেমে আসে। জন্মের পরপরই ইনগুইনাল ক্যানেল প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, কেবল শুক্রবাহী নালি যাতায়াতের জন্য কিছুটা ফাঁকা থাকে, তবে ফাঁকাটা এত বড় থাকে না যাতে অন্ডকোষ পেটে ফিরে যেতে পারে।
বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন হরনি গোট উইড - দাম্পত্য সুখের জন্যকখনো কখনো এই ক্যানেলে বা নালিপথ ঠিকমতো বন্ধ হয় না। মেয়ে শিশুর ক্ষেত্রে, জন্মের পরে ইনগুইনাল ক্যানেল বন্ধ না হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সত্যিকার অর্থে মহিলাদের ক্ষেত্রে ফেমোরাল হার্নিয়া বেশি হয়। ফেমোরাল হার্নিয়া হয় ফেমোরাল ক্যানেলে; এটা ইনগুইনাল ক্যানেলের নিকটবর্তী একটি পথ যেখান দিয়ে ফেমোরাল ধমনী, শিরা ও নার্ভ বা স্নায়ু চলে যায়।
বয়স বেশি হলে পেটের দেয়াল দুর্বল হলে যেতে পারে, বিশেষ করে আঘাত পেলে কিংবা পেটে কোনো অপারেশন হলে। পেটের দেয়ালের এই দুর্বলতাই হার্নিয়ার কারণ।
আপনার যদি পেটের দেয়ালে দুর্বলতা থাকে, তা হলেও পেটে অতিরিক্ত চাপ আপনার হার্নিয়া ঘটাতে পারে। এই চাপ মলত্যাগ বা প্রস্রাব করার সময় হতে পারে, ভারোত্তোলন থেকে হতে পারে, পেটে পানি জমলে হতে পারে এমনকি অতিরিক্ত ওজনের কারণে হতে পারে। এমনকি দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা হাঁচির কারণে পেটের মাংসপেশি ছিঁড়ে যেতে পারে।
ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো
আপনার ইনগুইনাল হার্নিয়া হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি যদি আপনি পুরুষ হোন। মহিলাদের চেয়ে পুরুষদের প্রায় ১০ গুণ বেশি ইনগুইনাল হার্নিয়া হয়। ইনগুইনাল হার্নিয়া হয়েছে এমন বেশিরভাগ নবজাতক ও শিশু হচ্ছে ছেলে।
অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় হলো
০ পারিবারিক ইতিহাস : যদি আপনার নিকটাত্মীয়ের যেমন মা-বাবার কারো ইনগুইনাল হার্নিয়া থাকে, তাহলে আপনার ইনগুইনাল হার্নিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
০ কিছু নির্দিষ্ট অসুখ : যদি আপনার সিস্টিক ফাইব্রোসিস (জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ অসুখ যার কারণে ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি হয়) থাকে এবং দীর্ঘস্থায়ী কাশি থাকে তাহলে আপনার ইনগুইনাল হার্নিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকবে।
০ দীর্ঘস্থায়ী কাশি : যদি ধূমপান করার কারণে আপনার দীর্ঘস্থায়ী কাশি থাকে তাহলে আপনার ইনগুইনাল হার্নিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
০ দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য : এক্ষেত্রে মলত্যাগের সময় খুব চাপ পড়ে- এটা ইনগুইনাল হার্নিয়ার একটি সাধারণ কারণ।
০ অতিরিক্ত ওজন : মাঝারি থেকে বেশি ওজন আপনার পেটে অতিরিক্ত চাপ দেয়, যার ফলে ইনগুইনাল হার্নিয়া হয়।
০ কিছু নির্দিষ্ট পেশা : দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এমন চাকরি অথবা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের কাজ আপনার ইনগুইনাল হার্নিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
০ নির্দিষ্ট সময়ের আগে জন্ম : যেসব শিশু স্বাভাবিক জন্মগ্রহণের তারিখের আগেই ভূমিষ্ঠ হয় তাদের ইনগুইনাল হার্নিয়া বেশি হয়।
০ হার্নিয়ার ইতিহাস : যদি আপনার একবার ইনগুইনাল হার্নিয়া হয়, তাহলে আরেকবার- সাধারণত অন্য পাশে হার্নিয়া হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি থাকে।
যে সমস্যা গুরুত্বের সাথে নিতে হবে
অণ্ডকোষে ব্যথা হলে কিংবা অণ্ডথলির (যে থলির মধ্যে অণ্ডকোষ থাকে) একপাশে বা দু’পাশে ব্যথা হলে সেটাকে অবশ্যই গুরুত্বের সাথে নিতে হবে। যেকোনো বয়সের পুরুষদের, এমনকি নবজাতকেরও অণ্ডথলিতে ব্যথা করতে পারে। অণ্ডকোষ হলো পুরুষদের প্রজনন অঙ্গ। শরীরে দু’টি অণ্ডকোষ থাকে এই অঙ্গ বা গ্রন্থিগুলো খুবই সংবেদনশীল। খুব সামান্য আঘাতেও ব্যথা হতে পারে। অণ্ডকোষ বা অণ্ডথলিতে যেকোনো ধরনের ব্যথা হলেই চিকিৎসাগত সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
অণ্ডকোষ বা অণ্ডথলিতে ব্যথা হঠাৎ হতে পারে অথবা তীব্র হতে পারে। এ ব্যথা আঘাতের কারণে হতে পারে, ব্যথার সাথে অণ্ডকোষ ফুলে যেতে পারে। রোগী বমি বমি ভাব কিংবা বমি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
অণ্ডথলিতে ব্যথার সঙ্গে রোগীর অণ্ডথলিতে চাকা, জ্বর, অণ্ডথলির ত্বক লাল, প্রস্রাবে রক্ত, মূত্রনালি পথে অস্বাভাবিক নিঃসরণ, গলা ফুলে যাওয়া প্রভৃতি উপসর্গ থাকলে যতদ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। যদি সময়মতো চিকিৎসা করা না হয় তাহলে বন্ধ্যাত্ব ও পুরুষত্বহীনতা ঘটতে পারে। রোগীর তীব্র বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা থাকবে। অনেক সময় রোগীর অপারেশন করে অণ্ডকোষ ফেলে দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অণ্ডকোষের ব্যথার উৎস অণ্ডকোষ নয়, ব্যথা শুরু হয় অণ্ডথলি এলাকায়। অণ্ডকোষের কাজ হলো শুক্রাণু তৈরি করা। তাই অণ্ডকোষকে সুস্থ রাখা অপরিহার্য। প্রতিটি অণ্ডকোষের উপরে থাকে এপিডিডাইমিসকে সুরক্ষা দেয়।
বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন হরনি গোট উইড - দাম্পত্য সুখের জন্যঅণ্ডকোষে ব্যথার কারণ : অণ্ডকোষ কিংবা অণ্ডথলির ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে-
সংক্রমণ বা প্রদাহ : অণ্ডকোষের প্রদাহ বা সংক্রমণের সাথে সবচেয়ে যে সাধারণ অবস্থাটি সম্পৃক্ত তা হলো এপিডিডাইমাইটিস। এপিডিডাইমাইটিস হলো একটি বা দু’টি এপিডিডাইমিসের প্রদাহ। এপিডিডাইমিসে সংক্রমণ হলে সেই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে অণ্ডকোষে। এটা যেকোনো বয়সে হতে পারে এবং হঠাৎ করে হতে পারে।
সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হয় তরুণ ও যুবকদের। এ সংক্রমণের প্রধান কারণ হলো যৌনবাহিত ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে ক্ল্যামাইডিয়া ও গনোরিয়া।
আঘাত : অণ্ডকোষের আঘাতজনিত ব্যথার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো স্পোর্টস ইনজুরি বা খেলাধুলা জনিত আঘাত। যদি আঘাত পাওয়ার পর ব্যথা এক ঘণ্টার বেশি স্থায়ী থাকে তাহলে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
আঘাত পাওয়ার পর একটা চাকা দেখা দিতে পারে। আবার নাও পারে। আঘাত পাওয়ার পর অবশ্যই অণ্ডকোষ পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
অণ্ডকোষে টরসন বা প্যাঁচ খাওয়া : অণ্ডকোষে প্যাঁচ খাওয়া একটি জরুরি অবস্থা। এ ক্ষেত্রে অণ্ডকোষে রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্থ হয়। অণ্ডকোষে প্যাঁচ খেলে অণ্ডথলিতে ব্যথা করে ও ফুলে যায়। যদি ৫-৬ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা করা না হয় তাহলে আক্রান্ত অণ্ডকোষের টিস্যু মরে যেতে পারে। যদিও এ সমস্যা নবজাতক এবং বয়ংসন্ধিকালে ছেলেদের (১৮ বছরের নিচে) বেশি হয়। তবে এটা যে কোনো বয়সে হতে পারে।
অণ্ডকোষের উপাদেয় প্যাঁচ খেলেও অণ্ডকোষে প্যাঁচ খাওয়ার মতো একই অনুভূতি হতে পারে। অণ্ডকোষে প্যাঁচ খেলে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয় কিন্তু অণ্ডকোষের উপাদেয় প্যাঁচ খেলে সেটা জরুরি অবস্থা নয়। কোনো জটিলতা ছাড়াই ব্যথা সাধারণত এক সপ্তাহ স্থায়ী থাকে।
নিকোটিনে শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস
..
ধূমপানের নানা অপকারিতা সম্পর্কে জানেন মোটামুটি সকল ধূমপায়ী। তারপরও ধূমপান ত্যাগ করতে দেখা যায় অনেক কমসংখ্যক ধূমপায়ীকে। ধূমপান থেকে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট এ্যাটাকের মত বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটতে পারে। কমে যায় গড় আয়ু, কর্ম ক্ষমতা তার পরও ধূমপায়ীদের তেমন কোন উদ্বেগ নেই। অনেকের ধারনা বহু বছর ধরে ধূমপান করছি, দাদা ধূমপায়ী ছিলেন, বাবা ধূমপায়ী ছিলেন কোন সমস্যা তো দেখিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য বিপদ যাদের আসে তারাই বোঝেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে ধূমপানের বড় বড় ক্ষতি বেশী চোখে পড়ে। কিন্তু অনেক ক্ষতি আছে যা চোখে পড়ে না। অথচ ধূমপানের ফলে শতকরা ৫ থেকে ১০ ভাগ ধূমপায়ীর শারীরিক ক্ষমতা বা যৌন ক্ষমতা হ্রাস পায়। আর এই শারীরিক ক্ষমতা হ্রাসের প্রধান শত্রু হচ্ছে সিগারেট, বিড়ি, তামাক, জর্দ্দার মধ্যে থাকা বিষ নামের মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিকোটিন। নিকোটিন শুধু রক্তনালী সরু করে দেয় এবং হার্টের রক্তনালীতে চর্বি জমতে সাহায্য করে তাই নয়, এই নিকোটিন রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহকে কমিয়ে দেয়। ফলে অঙ্গ-প্রতঙ্গের রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। এতে শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস পায়, পাশাপাশি নিকোটিন ফুসফুস ও হার্টের স্বাভাবিক ক্ষমতাকেও হ্রাস করে। ফলে শারীরিক দুর্বলতা প্রতীয়মান হয় নানা ক্ষেত্রে। সিগারেটের নিকোটিন সাময়িক ভাবে মস্তিষ্ক উজ্জীবীত করলেও মস্তিষ্ক নিকোটিনের দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতি নানাবিধ। নিকোটিন মস্তিষ্কের রক্তনালীকে সরু করে দেয় ফলে মস্তিষ্কে রক্তচলাচলেও ব্যহত হয়। মস্তিষ্ক হয়ে পড়ে দুর্বল। ফলে বিশেষ ক্ষেত্রে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অধিক রক্ত প্রবাহের প্রয়োজন হলে মস্তিষ্ক হার্টকে প্রয়োজনীয় সিগনাল বিলম্ব ঘটায়। ফলে কাংখিত শারীরিক শক্তি অনেক ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না। তাই কর্মক্ষম, সক্ষম থাকতে আজই ধূমপান ত্যাগ করুন, সুন্দর দাম্পত্য জীবন গড়ে তুলুন।
Slider
ব্রটিশ আমলের শ্রী দীনেন্দ্র কুমার রায় সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(পঞ্চম পর্ব)
Posted by Administrator
ব্রটিশ আমলের শ্রী দীনেন্দ্র কুমার রায় সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(পঞ্চম পর্ব) শ্রী দীনেন্দ্র কুমার রায়; জন্ম সাল: চাব্বিশ শে আগষ্ট ...গাভী দুধ জ্বর বা মিল্ক ফিভারের লক্ষণ ও চিকিৎসা
Posted by Administrator
গাভী দুধ জ্বর বা মিল্ক ফিভারের লক্ষণ ও চিকিৎসা গাভীর দুগ্ধ জ্বরের শিকার হয়ে অনেক খামারিই ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ সময়ে কী করবেন অনেকেই বুঝতে পারেন না। এ অ...মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের আলগামন চালক আব্দুর রাজ্জাক মৌমাছির কামুড়ে মারা গেছে।
Posted by Administrator
মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের আলগামন চালক আব্দুর রাজ্জাক মৌমাছির কামুড়ে মারা গেছে। মেহেরপুরে মৌমাছির কামড়ে আলগামন চালক আব্দুর রাজ্জাক ম...মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সুষ্ঠু তদন্ত দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।
Posted by Administrator
মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সুষ্ঠু তদন্ত দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। বুধবার (২রা এপ্রিল) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে মেহেরপুর...
দেশ
ব্রটিশ আমলের রমনী মোহন মল্লিক সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(ছষ্ঠ পর্ব)
0 comment 04 Apr 2025 - Administratorব্রটিশ আমলের রমনী মোহন মল্লিক সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(ছষ্ঠ পর্ব) রমনী ম...
Read Moreব্রটিশ আমলের শ্রী দীনেন্দ্র কুমার রায় সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(পঞ্চম পর্ব)
0 comment 04 Apr 2025 - Administrator Read Moreব্রটিশ আমলের হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায় মুখার্জীর সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(চুতুর্থ পর্ব)
0 comment 04 Apr 2025 - Administrator Read Moreমেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের আলগামন চালক আব্দুর রাজ্জাক মৌমাছির কামুড়ে মারা গেছে।
0 comment 03 Apr 2025 - Administrator Read Moreছবিটি নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করছে অথচ এটাই বাঙালীর চরিত্রের জন্য পারফেক্ট গল্পটি নাসির উদ্দিন হোজ্জার
0 comment 03 Apr 2025 - Administrator Read Moreবৃটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী মেহেরপুর মহকুমার কৃষ্ণকান্তভাদুড়ীর সাহিত্যঅঙ্গনে মেহেরপুর জেলার ইতিহাস (তৃতীয় পর্ব)
0 comment 03 Apr 2025 - Administrator Read Moreহাঁসের বাচ্চা চুনা পায়খানা হওয়ার কারন, রোগের বিস্তার, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ টিকা কর্মসূচি
0 comment 02 Apr 2025 - Administrator Read Moreমেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সুষ্ঠু তদন্ত দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।
0 comment 02 Apr 2025 - Administrator Read Moreমধ্যযুগ, ব্রটিশ ও বাংলাদেশ জন্মের পর সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(প্রথম পর্ব)
0 comment 02 Apr 2025 - Administrator Read Moreবন্ধন কল্যান সংস্থা , মেহেরপুরের আহবায়ক কমিটি “ ও উপদেস্টা কমিটি” গঠিত হয়েছে
0 comment 02 Apr 2025 - Administrator Read More
মেহেরপুর জেলা খবর
হাঁসের বাচ্চা চুনা পায়খানা হওয়ার কারন, রোগের বিস্তার, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ টিকা কর্মসূচি
0 comment 02 Apr 2025 - Administratorহাঁসের বাচ্চা চুনা পায়খানা হওয়ার কারন, রোগের বিস্তার, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ টিকা কর্মসূচি বস...
Read Moreপবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মেহেরপুরের রাজনৈতিক নেতার কে কোথায় ঈদের নামাজ পড়বেন
0 comment 30 Mar 2025 - Administrator Read Moreপুরুষ ঘোড়া মাছি (হর্সফ্লাই) পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুততম উড়ন্ত পতঙ্
0 comment 29 Mar 2025 - Administrator Read Moreবিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম গতির পতঙ্গটির নাম অস্ট্রেলিয়ান টাইগার বিটল (গুবরে পোকা)
0 comment 29 Mar 2025 - Administrator Read Moreমেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এস এস সি ১৯৯৭ ব্যাসের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
0 comment 29 Mar 2025 - Administrator Read More
মেহেরপুর সদর উপজেলা
হাঁসের বাচ্চা চুনা পায়খানা হওয়ার কারন, রোগের বিস্তার, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ টিকা কর্মসূচি
0 comment 02 Apr 2025 - Administratorহাঁসের বাচ্চা চুনা পায়খানা হওয়ার কারন, রোগের বিস্তার, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ টিকা কর্মসূচি বস...
Read Moreমেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সুষ্ঠু তদন্ত দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।
0 comment 02 Apr 2025 - Administrator Read Moreবন্ধন কল্যান সংস্থা , মেহেরপুরের আহবায়ক কমিটি “ ও উপদেস্টা কমিটি” গঠিত হয়েছে
0 comment 02 Apr 2025 - Administrator Read Moreমেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কে উজলপুর গ্রামে রুপনগর ব্রাঞ্চের অগ্রাণী ব্যাংক অফিসার শোভন ও ধানখোলা গ্রামের শিশু জুবায়ের সহ দুই জন নিহত
0 comment 31 Mar 2025 - Administrator Read Moreমেহেরপুর শহরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামায়াত বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হব
0 comment 29 Mar 2025 - Administrator Read Moreমেহেরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
0 comment 29 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনীতে সারা বছর একটু একটু সঞ্চয় করে পাড়ায় পাড়ায় গড়ে উঠেছে ‘মাংস সমিতি’গরু বা ছাগল কিনে জবাই মাংস ভাগ করে নিচ্ছে
0 comment 28 Mar 2025 - Administrator Read Moreমেহেরপুরে সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী পত্নী মোনালিসাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক
0 comment 28 Mar 2025 - Administrator Read More
গাংনী উপজেলা
গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নের লক্ষীনারায়ণপুর গ্রামে লক্ষাধিক টাকার তামাক পুড়ে ভষ্মীভূত
0 comment 27 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও হাইস্কুল ফুটবল মাঠে কুঁচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
0 comment 26 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনীর হাফিজ হোমিও হলের স্বত্ত্বাধিকারী ও গাড়াডোব গ্রামের নিলুফা কে ১ হাজার ৮২ বোতল অ্যালকোহল সহ গ্রেফতার করেছে।
0 comment 25 Mar 2025 - Administrator Read Moreরবিবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামের জাভেদ ওমর নিহত ও দু’বন্ধু আহত হয়েছেন
0 comment 31 Mar 2025 - Administratorমোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামের জাভেদ ওমর নিহত ও দু’বন্ধু আহত হয়েছেন গা...
Read Moreগাংনী উপজেলা ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৪ নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
0 comment 30 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনীর খেতের জমিতেই নষ্ট হচ্ছে বিপুল পরিমাণ টমেটো, কৃষকের মাথায় হাত!
0 comment 28 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উদ্যোগে দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
0 comment 28 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনীতে সারা বছর একটু একটু সঞ্চয় করে পাড়ায় পাড়ায় গড়ে উঠেছে ‘মাংস সমিতি’গরু বা ছাগল কিনে জবাই মাংস ভাগ করে নিচ্ছে
0 comment 28 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনী উপজেলার কাজিপুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে তিন ব্যক্তির বাড়ি পুড়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে
0 comment 27 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নের লক্ষীনারায়ণপুর গ্রামে লক্ষাধিক টাকার তামাক পুড়ে ভষ্মীভূত
0 comment 27 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও হাইস্কুল ফুটবল মাঠে কুঁচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
0 comment 26 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনীর হাফিজ হোমিও হলের স্বত্ত্বাধিকারী ও গাড়াডোব গ্রামের নিলুফা কে ১ হাজার ৮২ বোতল অ্যালকোহল সহ গ্রেফতার করেছে।
0 comment 25 Mar 2025 - Administrator Read Moreরবিবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামের জাভেদ ওমর নিহত ও দু’বন্ধু আহত হয়েছেন
0 comment 31 Mar 2025 - Administratorমোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামের জাভেদ ওমর নিহত ও দু’বন্ধু আহত হয়েছেন গা...
Read Moreগাংনী উপজেলা ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৪ নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
0 comment 30 Mar 2025 - Administrator Read Moreগাংনীর খেতের জমিতেই নষ্ট হচ্ছে বিপুল পরিমাণ টমেটো, কৃষকের মাথায় হাত!
0 comment 28 Mar 2025 - Administrator Read More
মুজিবনগর উপজেলা
ঈদের কেনাকাটায় গাংনী শহরের দোকানে দই- মিষ্টি কেনার ধুম পড়েছে
0 comment 30 Mar 2025 - Administratorঈদের কেনাকাটায় গাংনী শহরের দোকানে দই- মিষ্টি কেনার ধুম পড়েছে। পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের ...
Read Moreসকল শহীদ বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে মুজিবনগর উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন
0 comment 26 Mar 2025 - Administrator Read Moreমুজিবনগরের কেদারগঞ্জ বাজারে গিয়াস ফার্মেসি, শফি হোটেল, নিউ বিগ বাজার সহ তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সাতাশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
0 comment 17 Mar 2025 - Administrator Read Moreমুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের মাঠে তিন বিঘা গমের জমিতে ঘাস মারা বিষ প্রয়োগ করেছে দুবৃত্তরা।
0 comment 03 Mar 2025 - Administrator Read More
ফিচার
ব্রটিশ আমলের রমনী মোহন মল্লিক সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(ছষ্ঠ পর্ব)
0 comment 04 Apr 2025 - Administratorব্রটিশ আমলের রমনী মোহন মল্লিক সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(ছষ্ঠ পর্ব) রমনী ম...
Read Moreব্রটিশ আমলের হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায় মুখার্জীর সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(চুতুর্থ পর্ব)
0 comment 04 Apr 2025 - Administrator Read Moreবৃটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী মেহেরপুর মহকুমার কৃষ্ণকান্তভাদুড়ীর সাহিত্যঅঙ্গনে মেহেরপুর জেলার ইতিহাস (তৃতীয় পর্ব)
0 comment 03 Apr 2025 - Administrator Read Moreমধ্যযুগ, ব্রটিশ ও বাংলাদেশ জন্মের পর সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(প্রথম পর্ব)
0 comment 02 Apr 2025 - Administrator Read More
খেলা
যাবতীয়
ব্রটিশ আমলের রমনী মোহন মল্লিক সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(ছষ্ঠ পর্ব)
0 comment 04 Apr 2025 - Administratorব্রটিশ আমলের রমনী মোহন মল্লিক সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(ছষ্ঠ পর্ব) রমনী ম...
Read Moreব্রটিশ আমলের শ্রী দীনেন্দ্র কুমার রায় সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(পঞ্চম পর্ব)
0 comment 04 Apr 2025 - Administrator Read Moreব্রটিশ আমলের হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায় মুখার্জীর সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(চুতুর্থ পর্ব)
0 comment 04 Apr 2025 - Administrator Read Moreবৃটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী মেহেরপুর মহকুমার কৃষ্ণকান্তভাদুড়ীর সাহিত্যঅঙ্গনে মেহেরপুর জেলার ইতিহাস (তৃতীয় পর্ব)
0 comment 03 Apr 2025 - Administrator Read Moreমধ্যযুগের প্রথমার্ধে কৃষ্ণকান্তভাদুড়ীর ও রমেশচন্দ্রদত্ত অন্যতম সুসাহিত্যিক সাহিত্যঅঙ্গনে মেহেরপুর জেলার ইতিহাস (দ্বিতীয় পর্ব)
0 comment 03 Apr 2025 - Administrator Read Moreমধ্যযুগ, ব্রটিশ ও বাংলাদেশ জন্মের পর সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(প্রথম পর্ব)
0 comment 02 Apr 2025 - Administrator Read Moreমেহেরপুরের সাহিত্য: প্রধান শিক্ষক, লেখক,ভাষাসৈনিক,শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক ও সমাজসেবক -মুন্সী সাখাওয়াৎ হোসেন
0 comment 31 Mar 2025 - Administrator Read Moreমেহেরপুরের সাহিত্য:এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক লেখক,নাট্যব্যক্তিত্ব,টেনিস খেলোয়াড় ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক
0 comment 31 Mar 2025 - Administrator Read More১১৫ বছর আগে লেখা মেহেরপুরের ইতিহাস প্রাচীনতম গ্রাম মেহেরপুর -নদীয়া কাহিনী
0 comment 31 Mar 2025 - Administrator Read More
Mujibnagar Khabor's Admin

You May Also Like...
Labels
- Advertisemen
- Advertisement
- Advertisementvideos
- Arts
- Education
- English News
- English News Featured
- English News lid news
- English News national
- English News news
- English Newsn
- Entertainment
- Featured
- games
- id news
- l
- l national
- li
- lid news
- lid news English News
- lid news others
- media
- national
- others
- pedia
- photos
- politics
- politics English News
- t
- videos
- w
- world
- Zilla News
জনপ্রিয় পোস্ট
মেহেরপুরের সাম্প্রতিক খবর
ব্রটিশ আমলের রমনী মোহন মল্লিক সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(ছষ্ঠ পর্ব)
ব্রটিশ আমলের শ্রী দীনেন্দ্র কুমার রায় সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(পঞ্চম পর্ব)
ব্রটিশ আমলের হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায় মুখার্জীর সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস-(চুতুর্থ পর্ব)
মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের আলগামন চালক আব্দুর রাজ্জাক মৌমাছির কামুড়ে মারা গেছে।
ছবিটি নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করছে অথচ এটাই বাঙালীর চরিত্রের জন্য পারফেক্ট গল্পটি নাসির উদ্দিন হোজ্জার
বৃটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী মেহেরপুর মহকুমার কৃষ্ণকান্তভাদুড়ীর সাহিত্যঅঙ্গনে মেহেরপুর জেলার ইতিহাস (তৃতীয় পর্ব)
মধ্যযুগের প্রথমার্ধে কৃষ্ণকান্তভাদুড়ীর ও রমেশচন্দ্রদত্ত অন্যতম সুসাহিত্যিক সাহিত্যঅঙ্গনে মেহেরপুর জেলার ইতিহাস (দ্বিতীয় পর্ব)
মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সুষ্ঠু তদন্ত দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।
সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস
বন্ধন কল্যান সংস্থা , মেহেরপুরের আহবায়ক কমিটি “ ও উপদেস্টা কমিটি” গঠিত হয়েছে
সড়ক দুর্ঘটনা: মেহেরপুরে বাঁকা গ্রামের আহত ইমরান উজলপুর গ্রামের আখতারুজ্জামান এবং শিশু জুবায়ের সহ তিন জনের মৃত্যু
মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কে উজলপুর গ্রামে রুপনগর ব্রাঞ্চের অগ্রাণী ব্যাংক অফিসার শোভন ও ধানখোলা গ্রামের শিশু জুবায়ের সহ দুই জন নিহত
মেহেরপুরের সাহিত্য: প্রধান শিক্ষক, লেখক,ভাষাসৈনিক,শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক ও সমাজসেবক -মুন্সী সাখাওয়াৎ হোসেন
জেলা সংবাদ
মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের আলগামন চালক আব্দুর রাজ্জাক মৌমাছির কামুড়ে মারা গেছে।
বৃটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী মেহেরপুর মহকুমার কৃষ্ণকান্তভাদুড়ীর সাহিত্যঅঙ্গনে মেহেরপুর জেলার ইতিহাস (তৃতীয় পর্ব)
হাঁসের বাচ্চা চুনা পায়খানা হওয়ার কারন, রোগের বিস্তার, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ টিকা কর্মসূচি
মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সুষ্ঠু তদন্ত দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।
সাহিত্য ও প্রকাশনায় মেহেরপুর জেলার ইতিহাস
No comments: